২রা বৈশাখ, ১৫ই এপ্রিল

Share

২০০৬

কানসাটে পুলিশ। সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। কানসাট আন্দোলনের নেতা রাব্বানীকে ‘ক্রিমিন্যাল’ বলার জন্য রাজশাহীর মেয়র মিনুর দুঃখপ্রকাশ।

(কানসাট বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার একটি জনপদ। ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে এখানে বিদ্যুতের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্দোলন শুরু হয় এবং এপ্রিল মাসে আন্দোলনের সফল সমাপ্তি হয়। জনতা ও পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ২০ জন গ্রামবাসী নিহত এবং শতাধিক আহত হয়। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন গোলাম রব্বানি।)


২০০০

ফেনী সীমান্তে বি এস এফ – এর গুলিতে ২ বাংলাদেশী নিহত।


১৯৯৭

আদমজি শ্রমিক কলোনিতে ব্যাপক অগ্নিকান্ড।

(আদমজী জুট মিল্‌স নারায়ণগঞ্জ শহরে শীতালক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। এই কারখানাটি পৃথিবীর বৃহত্তম পাটকল হিসাবে বিখ্যাত ছিল। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত আদমজী জুট মিল্‌স তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের ২য় পাট কল। পূর্ব পাকিস্তানের উন্নতমানের পাট ব্যবহার করে আদমজী পাট কলে বিভিন্ন পাটজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হত। এটিকে এক সময় প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হত । ১৯৭০ এর দশকে প্লাস্টিক ও পলিথিন পাটতন্তুর বিকল্প হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলে আদমজী পাট কলের স্বর্ণযুগের অবসান হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়েছিল। তখন থেকে ১৯৮০ এর দশকের কয়েকটি বছর ব্যতীত অন্য সব বছর এটি বিপুল পরিমাণে লোকসান দেয়। শ্রমিক ও মূলতঃ বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর বাধা সত্ত্বেও ২০০২ খ্রীস্টাব্দের ২২শে জুন এই কলটি বন্ধ করে দেয়া হয়।)


১৯২৬

কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত ‘লাঙ্গল’ পত্রিকার শেষ সংখ্যা প্রকাশ। ১৯২৫ সালের  ১৬ ডিসেম্বর কলকাতা থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে এটি মুজফফর আহমদের সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘গণবাণী’র সাথে একীভূত হয়ে যায়। ‘লাঙল’ পত্রিকাটি ‘শ্রমিক-প্রজা-স্বরাজ-সম্প্রদায়’ নামে শ্রমিক শ্রেণীর একটি সংগঠনের মুখপত্র ছিল। ‘কৃষক–প্রজা–স্বরাজ–সম্প্রদায়’র আহ্বায়ক হিসেবে প্রথম সংখ্যাতেই নজরুল সংগঠনের একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন। কাজী নজরুল ইসলাম ‘লাঙ্গল’র সম্পাদক হলেও পত্রিকার প্রচ্ছদে তাঁর নাম থাকতো মুখ্য পরিচালক হিসেবে, আর সম্পাদক হিসেবে থাকতো মণিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের নাম। পত্রিকাটির প্রত্যেক সংখ্যার শুরুতে থাকতো চণ্ডীদাসের বাণী, ‘শুনহ মানুষ ভাই/ সবার উপরে মানুষ সত্য/ তাহার উপরে নাই।’ পত্রিকার প্রচ্ছদে, গলায় তাবিজ পড়া, খালি গায়ে- লাঙল কাঁধে একজন কৃষকের ছবি থাকত।  লাঙলের প্রথম সংখ্যার প্রধান আকর্ষণ ছিল, ‘সাম্যবাদী’ শিরোনামে এগারোটি কবিতা। কৃষক, নারী, দিনমজুর, কুলি ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর পীড়িত ও নির্যাতিত জীবন বর্ণনাত্মক এ কবিতাগুলি পরবর্তীকালে পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়। লাঙলের বিভিন্ন সংখ্যায় নজরুল ইসলামের কিছু বিখ্যাত কবিতা প্রকাশিত হয়। যেমন, ‘কৃষাণের গান’, ‘সব্যসাচী’ এবং ‘সর্বহারা’। লাঙ্গলে অন্যান্য লেখকদের রচনার বিষয়বস্ত্ত ছিল কার্ল মার্কস, লেনিন বা সোভিয়েত রাশিয়ার রাজনৈতিক গতিধারা, চীনের পুনর্জাগরণ ইত্যাদি। ১৫ টি সংখ্যা বের হবার পরে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।


১৯৮০

সাহিত্যিক ও দার্শনিক জ্য পল সার্ত্রের মৃত্যু।

জন্ম জুন ২১,১৯০৫।

তিনি ছিলেন অস্তিত্ববাদ ও অবভাসবাদী দর্শনে একজন পথিকৃৎও বিংশ শতকের ফরাসি দর্শন ও মার্ক্সিজমের অন্যতম প্রভাবশালী দার্শনিক। তার কাজের মাধ্যমে সমাজবিজ্ঞান, সাহিত্যতত্ত্ব, উত্তর উপনিবেশবাদী তত্ত্ব ও সাহিত্য গবেষণায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল। তিনি আলজেরিয়ায় ফরাসি আগ্রাসন এবং আমেরিকার ভিয়েতনাম যুদ্ধের শক্তিশালি সমালোচক ছিলেন। বহুবারই পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদীদের বিরাগভাজন হয়েছিলেন তিনি। তাকে হত্যার চেষ্টাও হয়েছে বেশ কয়েকবার। ১৯৩৮ সালে সার্ত্রে’র প্রথম উপন্যাস ‘লা নাজি’ প্রকাশিত হয়। এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হলঃ ‘দ্য মুর’, ‘ব্যারিওনা’ (প্রথম নাটক), ‘দ্য ফ্লাইজ’, ‘নো এক্সিট’, ‘দ্য এজ অব রিজন’, ‘দ্য রেসপেক্টফুল প্রস্টিটিউট’, ‘দ্য ভিক্টরস’, ‘দ্য চিপস্ আর ডাউন’, ‘ইন দ্য ম্যাস’, ‘ডার্টি হ্যান্ডস’, ‘ট্রাবলড পি’, ‘দ্য ডেভিল অ্যান্ড দ্য গুড লর্ড’, ‘কিন’, ‘দ্য কনডেমড অব আলটোনা’, দ্য ট্রোজান ওম্যান’, ‘দ্য ফ্রড সিনারিও’ প্রভৃতি।

আর দার্শনিক প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘ইমেজিনেশন : এ সাইকোলজিক্যাল ক্রিটিক’, ‘দ্য ট্রানসেন্ডেন্স অব দ্য ইগো’, ‘স্কেচ ফর এ থিওরি অব দ্য ইমোশন্স’, ‘দ্য ইমেজিনারি’, ‘বিয়িং অ্যান্ড নাথিংনেস’, ‘এক্সিসটেনসিয়ালিজম ইজ এ হিউম্যানিজম’, ‘সার্চ ফর এ মেথড’, ‘ক্রিটিক অব ডায়ালেকটিক্যাল রিজন’, ‘এন্টি সেমাইট অ্যান্ড জিউ’, ‘বদলেয়ার’, সিচুয়েশন সিরিজ (ওয়ান টু টেন), ‘ব্ল্যাক অরফিউজ’, ‘দ্য হেনরি মার্টিন অ্যাফেয়ার’ প্রভৃতি। এছাড়া সার্ত্রে’র লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘সার্ত্রে বাই হিমসেল্ফ’, ‘দ্য ওয়ার্ডস’, ‘উইটনেস টু মাই লাইফ কোয়াইট মোমেন্টস ইন এ ওয়ার’ এবং ‘ওয়ার ডায়েরি’স’।

সার্ত্রে ও বোভেয়া’র মিলে ‘লেস ভেজপস মোদারনেস’ নামক মাসিক পত্রিকা বের করতেন। এ পত্রিকাটি সে সময় দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

তিনি ১৯৬৪ সালে, সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হন তবে এই পুরস্কার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান; কারণ তার মতে একজন লেখককে কখনই নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে দেওয়া উচিত নয়।


নতুন পঞ্জিকার ‘ইতিহাসের এইদিনে’ অংশের তথ্যসূত্রঃ

সম্পঃ শেখ রফিক(২০১৪)। শত বিপ্লবীর কথা। বিপ্লবীদের কথা, ঢাকা।

সম্পঃ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। বাংলাদেশের তারিখ (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় খণ্ড)।

বাংলা একাডেমী বর্ষপঞ্জি ১৪২০। বাংলা একাডেমি, ঢাকা।  

সম্পঃ ফরিদা আখতার, সীমা দাস সীমু, সাইদা আখতার(২০১০)। শত বছরে শত নারী। নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা, ঢাকা।

সম্পঃ আবু সালেক(২০০৬)। সাপ্তাহিক হক কথা সমগ্র। ঘাস ফুল নদী, ঢাকা।

সম্পঃ মুনীর মোরশেদ(২০১০)। ঋতুপিডিয়া।  ঘাস ফুল নদী, ঢাকা।   

বাংলাপিডিয়া।

ড. আলী নওয়াজ(২০১১)। খনার বচন কৃষি ও কৃষ্টি। আফসার ব্রাদার্স, ঢাকা।  

নবযুগ ডাইরেক্টরী পঞ্জিকা। নিউ এজ পাবলিকেশন্স, ঢাকা।

লোকনাথ ডাইরেক্টরী নতুন পঞ্জিকা। লোকনাথ বুক এজেন্সী, ঢাকা।

মোহাম্মদীয়া পকেট পঞ্জিকা। মোহাম্মদীয়া লাইব্রেরী, ঢাকা।    

প্রথম আলো।

যুগান্তর।

সমকাল।

বণিক বার্তা।

বাংলাদেশ প্রতিদিন।

সর্বজন কথা।

কালের কন্ঠ।

ইত্তেফাক।

দা গার্ডিয়ান।

ডেইলি স্টার।

নিউ এজ।

Share

অনুসন্ধান

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

আর্কাইভ

বায়ুদূষণের মাত্রা

সর্বাধিক পঠিত

Sorry. No data so far.