৫ই আষাঢ, ১৯ই জুন

২০১৩

দুদকের তদন্ত সঠিক ও সম্পূর্ণ হয় নি । – পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন

-> জলবায়ু তহবিল প্রকল্পে জোড়াতালি ও অচ্ছতা । – প্রথম আলোর প্রতিবেদন

২০১২

ঢাকায় জমিসঙ্কট। স্থাপনা নির্মাণে বেকায়দায় সরকার।

-> বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পে বিশ্বের সর্বনিম্ন মজুরী। সময়মত পরিশোধ হয় না।

২০১১

মাদারিপুর, চাঁদপুর , গাইবান্ধা ও রাজবাড়ীতে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৪ । আহত শতাধিক ।

-> অর্থ পাচার মামলায় এরশাদ ও তার বান্ধবী মেরী খালাস।

২০১০

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতির লন্ডন যাত্রা।

-> চট্টগ্রামে পাহাড়ি এলাকায় ২ লাখ মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ বাস। দশ বছরে নিহত ১৫০ আহত ৩০০।

-> দেশের প্রায় ৭ কোটি লোক ক্ষতিকর পানি পান করছে, খাবারে শিসাযুক্ত রঙ ব্যবহারে খাদ্যঝুকিতে ৮৮% নাগরিক।

২০০৭

শুল্ক ফাঁকির জন্য ফালুর প্রতিষ্ঠানকে ৭০ লাখ টাকার জরিমানা।

-> বিএনপি নেতা ড. মোশারফের স্ত্রীর নামে ব্রিটেনে বাড়িসহ কোটি টাকার সম্পত্তি।

-> ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে টাঁকশালের প্রধান প্রকৌশলী আটক।

২০০৬

১৯৯৪ সাল থেকে সমস্যাকবলিত ওরিয়েন্টাল ব্যাংক, লোকসান ৪৫০ কোটি টাকা, মূলধন ঘাটতি ৮৭৭ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিধিবদ্ধ জমা শুণ্য। বাংলাদেশে ব্যাংক কতৃক অধিগ্রহণ।

-> ভোটার হতে এখন থেকে মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স বাড়ির খাজনা বা ভাড়া, বয়স সম্পর্কে অ্যাফিডেভিট, এসএসসির পরীক্ষার সার্টিফিকেটের কপি ইত্যাদি কাগজ দরখাস্তের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

-> সংসদীয় কমিটিতে নৌবাহিনীর ৬টি টহল জাহাজ কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ।

২০০৫

কোনো সরকারের আমলেই আদিবাসীরা ভালো অবস্থায় ছিলেন না, বর্তমানেও নেই।

-> ৪৫ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের গাড়ি ব্যবহার করছেন।জ্বালানি বাবদ মাসিক ১০ লাখ টাকার বেশি ব্যয়।

২০০৩

বাংলাদেশ সহ আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হবে না।

-> বাংলাদেশ ৪৬টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।’ – সংসদে প্রধানমন্ত্রী।

-> ‘কর্মীদের মার খেলে চলবে না মার দিতে হবে।’ – কর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা।

-> ইরাকে বাংলাদেশী সেনা চায় আমেরিকা। ঢাকায় কলিন পাওয়েল।

-> খালেদা ও মেঘবতী বৈঠকে ৪ টি চুক্তি ও সমঝোতা সম্পর্ক সই।

২০০১

নারায়ণগঞ্জে বোমা হামলার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।

২০০০

“সন্ত্রাসী”দের হামলায়  রাজশাহী শহর রক্ষাবাধের ওপর থেকে ৩ হাজার বস্তিঘর উচ্ছেদ।

১৯৯৯

অটল বিহারি বাজপেয়ীর আগমনের প্রতিবাদে সারাদেশে  কালো দিবস কর্মসূচি।

১৯৯৮

যশোরে পুলিশের হেফাজতে শরীফ-বাহিনীর শরীফের মৃত্যু।

১৯৯৩

‘আদালতের হাত লম্বা জানি, তবে সংসদ অবধি পৌঁছোবার জন্য লম্বা কি না বিবেচনা করে দেখব।’ – স্পীকার শেখ রাজ্জাক আলী।

১৯৯২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কক্ষ ও গবেষণাগারে অগ্নিসংযোগ।

১৯৮৮

বাংলা একাডেমীর বাংলা পঞ্জিকা সর্বত্র অনুসরণের নির্দেশ।

১৯৮২

কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড়ে ৮০ জন আহত।

১৯৭৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশস্ত্র যুবকদের হামলার ঘটনায় সংসদে তুমুল বিতর্ক।

১৯৭৬

ফারাক্কা প্রশ্নে বাংলাদেশ ভারত আলোচনা।

১৯৭৪

সংসদে বাজেট পেশ, রাজস্ব আয় ৪৭০.২৩ কোটি টাকা এবং ব্যয় সমপরিমাণ।

১৯৭৩

বরিশালের নলছিটি থানার কাটাখালি ফাঁড়িতে হামলা।

১৯৭১

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘জগজীবন’ আসানসোলে এক জনসভায় বলেন, বাঙালি শরণার্থীরা অবরুদ্ধ পূর্ব পাকিস্তানে নয়, শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরতে আগ্রহী।

ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী বাংলাদেশের শরণার্থী সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৯ লাখ ২৩ হাজার ৪ শ ৩৯ জন।

১৯৬৮

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি শুরু।

১৯৪৭ এর দেশ ভাগের পর পাকিস্তান সরকারের বিভিন্ন স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের জন্য পূর্ব পাকিস্তানে বেশ অস্থিরতার সৃষ্টি হয়। অবস্থা নিয়ন্ত্রনের জন্য তাঁরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে ছিল।

১৯৬৮ সালের ১৯ জুন ৩৫ জনকে আসামি করে পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারায় মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলায় শেখ মুজিবকে ১ নম্বর আসামি করা হয় এবং ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান গং’ নামে মামলাটি পরিচালিত হয়। ঢাকার কুর্মিটোলা সেনানিবাসে একটি সুরক্ষিত কক্ষে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। মোট ১০০টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। সরকার পক্ষে মামলায় ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন সাক্ষীর তালিকা আদালতে পেশ করা হয়। তন্মধ্যে ৪ জন রাজসাক্ষীকে সরকার পক্ষ থেকে বৈরী ঘোষণা করা হয়।

১৯৫১

ন্যাটো প্রতিষ্ঠা।