নতুন পঞ্জিকা কী?

আজকের প্রজন্মের বেশিরভাগ মানুষজন ‘পঞ্জিকা’র নাম না শুনলেও গত প্রায় ২৫০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের বাংলাভাষী মানুষজন বাংলাভাষায় কাগজে ছাপা পঞ্জিকা ব্যবহার করে আসছেন। সে পঞ্জিকায় থাকে দিন-তারিখ, শুভাশুভ, আবাদ-বসত, জলবায়ু, শরীর-স্বাস্থ্যসহ জীবনের নানা বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য।

বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র আনলো নতুন এক পঞ্জিকা, ‘নতুন পঞ্জিকা’।
নতুন পঞ্জিকায় বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের জনমানুষের জন্যে প্রাসঙ্গিক দিন-তারিখ, আবাদ-বসত, জলবায়ু, শরীর-স্বাস্থ্যসহ জীবনের নানা বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যই শুধু থাকবেনা, থাকবে সমাজ, সংস্কৃতি , ইতিহাস, ভূগোল এমন কি বিশ্বরাজনীতি- অর্থনীতির হালচালসহ নানান কিছু, কিন্তু সবই থাকবে নতুন ভাবনা-চিন্তার জায়গা থেকে।

‘নতুন পঞ্জিকা’র সেই ভাবনা-চিন্তা কেমন?

‘পঞ্জিকা’ বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের সামাজিক –সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং ঘটনা। ইতিহাস নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পঞ্জিকা বা পাঁজি শুধু দিন-তারিখ আর শুভাশুভের ব্যাপার ছিলোনা। এতে অনুশীলকদের বিবেচনায় জীবনের এবং সমাজের সার্বিক মঙ্গলের জন্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞানের সমাবেশ ঘটতো। নতুন পঞ্জিকা সেই ঐতিহ্যের পর্যালোচনা করে নতুন সময় এবং সমাজের পঞ্জিকা হিসেবে কাজ করতে চায়।

উপনিবেশ, শিল্পবিপ্লব,পশ্চিমা আধুনিকতার নানামাত্রিক অভিজ্ঞতা এবং সেসবের চলমান পর্যালোচনা, উত্তর-উপনিবেশিক বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা, বি-উপনিবেশায়নের অনুশীলনের নানামাত্রিক অভিজ্ঞতা, জনমানুষের নানামাত্রিক মুক্তির সংগ্রামকে বিবেচনায় রাখবে নতুন পঞ্জিকা। সেসব বিবেচনা করে সময়,ইতিহাস, এবং সংস্কৃতিকে সমাজের সার্বিক মঙ্গলের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা, জানা, বোঝা, জীবন ও সমাজে সেই বুঝের অনুশীলন বিকাশের জন্যে প্রয়োজনীয় তথ্য, জ্ঞান, অভিজ্ঞতার ভান্ডার হিসেবে কাজ করবে নতুন পঞ্জিকা।

বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের এই উদ্যোগে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

কিভাবে সহযোগিতা করবেন?

এক. বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের স্পন্সর সদস্য হয়ে বা এককালীন দান করে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।
দুই. আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র-কে দান করে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।