সামাজিক অংশীদারিত্ব

নতুন পঞ্জিকা বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের অন্যান্য উদ্যোগের মতই নতুন পঞ্জিকাও গণ অনুদান ও  সামাজিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে একমত হলে, বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। দেশপ্রেমিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিল থেকে বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রকে দান করতে পারেন।

১. যাদের অনুদান গ্রহন করা হবেঃ

● দাতা কোম্পানী/প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি
শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
● মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
● পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

২. পরিমানঃ সিবিএসের সাধারণ তহবিলে অনুদানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট পরিসীমা নাই। কিন্তু, কেন্দ্রের
প্রকল্পের জন্য অনুদান দিতে চাইলে, প্রকল্পের ব্যয় অনুযায়ী অনুদান দিতে হবে।

৩. অনুদানের ধরণঃ নগদ অর্থ ও সরঞ্জামাদি দুই উপায়েই অনুদান দেয়া যাবে। সরঞ্জামাদি যেমন,
কম্পিউটার-ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ফটোকপি মেশিন, আসবাব পত্র ইত্যাদি।

৪. অনুদানের ক্ষেত্র/উপলক্ষঃ
● সাধারণ তহবিল
● বিশেষ প্রকল্প- যেমন ‘পঞ্জিকা’, বাংলার ইতিহাস আর্কাইভ।
● স্মারক বক্তৃতা
● সম্মেলন
● বিষয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান
● প্রকাশনা- জার্নাল, বই, পুস্তিকা, স্মরণিকা
● ওয়েবসাইট

৫. পদ্ধতিঃ আর্থিক অনুদান সিবিএসের ব্যাঙ্ক একাউন্টের মাধ্যমে দিতে হবে।

৬. স্বীকৃতি ও স্বীকৃতির মেয়াদঃ
● সাধারণ তহবিলে অনুদানঃ দাতার আগ্রহ সাপেক্ষে সিবিএসের বার্ষিক প্রতিবেদন ও অফিসিয়াল
ওয়েবসাইটে দাতা কোম্পানী/প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখিত থাকবে।
● বিশেষ প্রকল্পে অনুদানঃ প্রকল্পের প্রকাশনা ও প্রচারণায় দাতার নাম উল্লেখিত থাকবে।

৭. শর্তঃ
● বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র কেবলমাত্র নিঃশর্ত অনুদান গ্রহন করে।
● দাতা কোম্পানী/প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের চিন্তা, পরিকল্পনা ও কাজে প্রত্যক্ষ বা
পরোক্ষ কোনো রকম হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

যোগাযোগ করুনঃ cbsdhaka@gmail.com